একটি ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প

পদ্মা সেতু !

আজ পদ্মা সেতু দৃশ্যমান হতে না হতেই চারদিকে ভরে গেছে শুভেচ্ছা আর পাবার যে আনন্দ, সে আনন্দের জোয়ারে। সর্বনাশা পদ্মার পূর্ণযৌবনের জোয়ারও হার মানবে এই আনন্দের জোয়ারের কাছে। পদ্মা সেতু আজ বাস্তব, চোখের সামনে স্বপ্নের সেতু… উচ্চ মাধ্যমিকে “পদ্মা নদীর মাঝি” পড়ে নাই এমন কাউকে খুজে পাওয়া যাবে না! কুবেরের মত আমাদের দেশটাও তেমন ছোট্ট একটি পল্লী যেখান থেকে আমরা একসময় বলতাম “ঈশ্বর থাকেন ওই ভদ্রপল্লীতে”, অর্থাৎ পশ্চিমা বিশ্ব। একটা সময় ছিলো যখন আমাদের তাদের দিকে তাকিয়ে থাকতে হত…..

না আমাদের চরিত্রটি পদ্মা নদীর মাঝি উপন্যাসের কুবেরের চরিত্র নয়। আমাদের চরিত্রটি ৩০লক্ষ শহীদের চরিত্র। বীর বাঙ্গালির চরিত্র। জাতির পিতার আদর্শের চরিত্র…আর তাইতো রচিত হয়েছে এই দশকের সেরা ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প………উন্নয়নের মহাসড়কে উঠে এসে চোখে চোখে রেখে বুঝিয়ে দেওয়া আমরা বীরের জাতি… পৃথিবীতে এমন কোন দেশ নাই  যাদের ভাষার জন্য রক্ত দিতে হয়েছে…আমরা সেই বাঙালি জাতি যারা রক্ত দিয়ে ভাষা অর্জন করেছি…স্বাধীনতা অর্জন করেছি………

এই ঘুরে দাঁড়ানোটা কি এতটাই সহজ ছিলো????? আসুন একটু পেছনে ফিরে যাই…

একটা সময় বর্তমান সরকারের এই ভারী প্রকল্প বাস্তবায়নে বাধা হয়ে দাঁড়ায় দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র। তখন পদ্মার দুই পাড়ের মানুষসহ দেশবাসীর সেই স্বপ্নের সেতু স্বপ্ন সীমায় ঘুরপাক খেতে থাকে। দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিশ্বব্যাংক তাদের অর্থঋণ বাতিল করে দেয়। ঘৃণ্য সুদখোরি চক্রান্ত মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে নিয়ে দাঁড় করায়।

উন্নয়নের মহাসড়ক প্রসারিত করতে দূরদর্শী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার উন্মত্ত পদ্মাকে শাসন করে, পদ্মার বুকে অপার এক সম্ভাবনার শিকড় পদ্মা সেতু নির্মাণের স্বপ্ন বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়। দূরদর্শী নেত্রী, বঙ্গবন্ধুকন্যা দেখতে পেয়েছিলেন এই পদ্মা সেতুর ভবিষ্যৎ এবং অপার সম্ভাবনা আর তখনই চক্রান্তকারীরা জেগে উঠলো। সমীক্ষা যাচাইয়ের পর ২০০১ সালের ৪ জুলাই সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করার পর এবং ক্ষমতার প্রায় পুরো সময় শেষ করেও তারা যখন সেতু নির্মাণ বাস্তবায়নে কাজ করতে ব্যর্থ হয়; যখন তারা দেখতে পেল তাদের ব্যর্থতা ক্রমে সাধারন জনগনের নিকট প্রকাশিত হয়ে যাচ্ছে তখন সুদখোরি এবং দুর্নীতিবাজ জোট বাধলো পদ্মার এই অগ্রযাত্রা ব্যাহত করার জন্য। পদ্মা বিতর্কের জন্মটা ২০১১ সালে। ওই বছরের এপ্রিলে পদ্মা সেতু নির্মাণে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ১২০ কোটি মার্কিন ডলারের ঋণচুক্তি হয়। সেতুর পরামর্শক প্রতিষ্ঠান হিসেবে দরপত্রে অংশ নেওয়া এসএনসি-লাভালিনের সঙ্গে বাংলাদেশি কর্মকর্তাদের দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের অভিযোগ এনে বিশ্বব্যাংক ২০১২ সালের ২৯ জুন পদ্মা সেতুতে ঋণচুক্তি বাতিল করে। সরকারের অনুরোধে একই বছরের ২০ সেপ্টেম্বর এ প্রকল্পে পুনরায় সম্পৃক্ত হতে রাজি হলেও তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অর্থায়ন করতে অসম্মতি জানায় সংস্থাটি। তবে এর আগে বিশ্বব্যাংকের শর্তের কারণে সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনকে মন্ত্রিত্ব ছাড়তে হয়। সাবেক সেতু সচিব মোশাররফ হোসেন ভূঁঁইয়াকে ওএসডি করা হয় এবং যেতে হয়েছে জেলে। এক পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমানের নামও দুর্নীতির অভিযোগের সঙ্গে যুক্ত করা হয়। এরপর আবারো চক্রান্তকারীদের সাথে যোগ দিয়ে দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে ঋণচুক্তি বাতিল করে বিশ্বব্যাংক। আবারও ঘোর অনিশ্চয়তায় পড়ে সেতুর ভবিষ্যৎ।

সমালোচনার হুলুস্থূল বয়ে যায় সর্বত্র। কার আগে কে হাসিনা সরকারের বারোটা বাজানোর ঘণ্টা বাজাবে সেই প্রতিযোগিতা শুরু হয়। গভীর রাতের টক শোর টেবিল, সংবাদপত্রের সম্পাদকীয় পাতা, সভা-সেমিনার সবখানেই ‘গেলরে গেল সব গেল’ বলে নিন্দার ঝড় তোলা কথিত সুশীলবাদী সমাজ ও হাসিনাবিরোধী বলয় যেন স্বর্গে যাওয়ার রাস্তা পেয়ে বসল। যে যেভাবে পারল সে সেভাবেই মহাজোট সরকারের মু-ুপাত করে গেল। শেখ হাসিনা ও রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বারবার বলা হলো, পদ্মা সেতু প্রকল্পে কোনো ধরনের দুর্নীতি হয়নি; এমনও বলা হলো, যে প্রকল্পে কোনো ধরনের অর্থছাড় হয়নি সেখানে দুর্নীতি কীভাবে হবে। কার কথা কে শোনে। বাস্তবতা যখন ‘ইউনূস হিলারি সখ্য’ তখন একতরফা নীতিতে এগিয়ে যায় বিশ্বব্যাংক।

এরপরই রচিত হয় এই দশকের সেরা ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প………

একের পর এক নেতিবাচক ইস্যু যখন বাঙালি জাতি তথা বাংলাদেশকে ক্রমশ বিব্রতকর পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিচ্ছিলো, তখনি পরিবার হারানো এক বাঘিনী গর্জে উঠে। ৩০ লক্ষ শহীদের রক্ত যাদের ধমনীতে বয় তাঁরা কি অন্যায় মেনে নিতে পারে?

ঘুরে দাঁড়ানোর গল্পের মূল কারিগর, গর্জে ওঠা এই বাঘিনি আর কেউ নয়, তিনি অতি সাধারণ একজন মহানুভব মা, একজন কন্যা, একজন স্ত্রী, একটি জাতির উন্নয়নের মহানায়ক, আমাদের মাহাথির, জননেত্রী শেখ হাসিনা!

বিশ্বব্যাংকের অসম্মানজনক বাঁদরামি আর সহ্য করতে পারেননি বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। বিশ্বব্যাংকের প্রতি উচ্চারিত হলো ‘না’সূচক বার্তা। ২০১৩ সালের জানুয়ারিতে শেখ হাসিনা নেতৃত্বাধীন সরকারই বিশ্বব্যাংককে ‘না’ বলে দেয় এবং নিজস্ব অর্থে পদ্মা সেতু নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয়। বিশ্বকে অবাক করে বর্তমান সরকার নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয়। অসাধ্য সাধনের দুরন্ত সাহসে সব অনিশ্চয়তা দূর হয়। ২৮ হাজার ৭৯৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা ব্যয় নির্ধারণ করা হয় এই সেতু নির্মাণের জন্য। সবচেয়ে আশার ব্যপার ছিলো, এই ঘুরে দাঁড়ানোর গল্পে, ঘুড়ে দাঁড়ানোর কারিগর আকুন্ঠ সমর্থন পায় জনগনের, এমনকি যখন স্কুল পড়ুয়া ছোট-ছোট মুখগুলো বললো, তারা তাদের টিফিনের টাকা পদ্মা সেতুর তহবিলে জমা দিবে তখনি বুক্টা ফুলে উঠে গর্বিত এক বাঙালি হয়ে, যাদের নেতৃত্ব দিচ্ছে শহীদ জাতির পিতার রক্ত!

যতদিন তোমার হাতে দেশ, পথ হারাবে না বাংলাদেশ

না এখানেই শেষ নয়। এরপরও চলতে থাকে সুদখোরি ষড়যন্ত্র। নিজ অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণের ঘোষণায় সমালোচক গোষ্ঠীর চোখ কপালে ওঠার অবস্থা। ঠোঁট বাঁকিয়ে কপাল কুঁচকে অনেকেই তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য ভাবটা নিজেদের মধ্যে লুকিয়ে রাখার ব্যর্থ চেষ্টা চালান। যে যত অবজ্ঞা-অবহেলা করুক না কেন, শেখ হাসিনা নেতৃত্বাধীন সরকার ঠিকই দেখিয়েছে বিশাল প্রকল্প বাস্তবায়নের মহাযজ্ঞ ও প্রতিশ্রুতি রক্ষার গিরি সাহস। যদি বিশ্বাস করো হে অধম! 

এরপর পদ্মায় গড়িয়েছে অনেক জল। একটু একটু করে এগিয়ে চলছিলো স্বপ্নের পদ্মা সেতুর বাস্তবায়ন। প্রায় ৪০ শতাংশ কাজ শেষ। ঠিক তখনি বাঙালীর উৎসব করা মত একটি খবর আসলো।

দিনটি ছিলো ১০ ফেব্রুয়ারি, শুক্রবার. কানাডিয়ান পত্রিকা দ্য গ্লোব অ্যান্ড মেল জানায়, ফোনে আড়ি পেতে সংগ্রহ করা যে তথ্যের ওপর ভিত্তি করে প্রসিকিউশন মামলা সাজিয়েছিল তাকে গালগল্প ও গুজব বলে ছুড়ে ফেলেছেন বিচারক। আদালত পদ্মা প্রকল্পে দুর্নীতি ষড়যন্ত্রের কোনো প্রমাণ পায়নি। 

১১ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৭; প্রায় প্রতিটি সংবাদমাধ্যমে শিরোনাম একই। পদ্মা সেতু নির্মাণে যে দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে বিগত বছরগুলোতে অনেক বিতর্ক হয়েছে, ক্যানাডার একটি আদালত সেই দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা এক মামলা খারিজ করে দিয়েছে। পাঁচ বছরের বেশি সময়ের বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ক্যানাডার আদালত বলছে, এই মামলায় যেসব তথ্য দেওয়া হয়েছে, তা অনুমান ভিত্তিক, গালগল্প এবং গুজবের বেশি কিছু নয়। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অংশ হিসাবেই যে ওই অভিযোগ আনা হয়েছিল, তা এই রায়ে প্রমাণিত হয়। মজার ব্যাপার হচ্ছে, বিষয়টা অনেকটা নিজের পায়ে নিজে কুড়াল মারার মতই ছিলো। পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ২০১০ সালে বিশ্বব্যাংক নিজেরা তদন্ত শুরু করে এবং তাদের তথ্যের ভিত্তিতেই তারা কানাডা পুলিশকে সেদেশের এসএনসি-লাভালিনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করে। বিশ্বব্যাংকের অভিযোগ ছিল যে, পদ্মা সেতু নির্মাণ প্রকল্পের তদারকি কাজ পাওয়ার জন্য শর্ট লিস্টে থাকা ওই প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের কর্মকর্তাদের ঘুষ দিয়েছে। যদিও তারা এসব অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করেছেন।

১৩ ফেব্রুয়ারি সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির মিথ্যা অভিযোগ তুলে তার পরিবারকে হেয় করার চেষ্টা হয়েছিল বলে জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, পদ্মা সেতু ষড়যন্ত্রের সঙ্গে ড. মুহাম্মদ ইউনূস জড়িত এ প্রসঙ্গে তৎকালীন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি কিনটন তাকে ফোন করেছিলেন। ১২ ফেব্রুয়ারি রোববার বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৩৭তম জাতীয় সমাবেশ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত দরবারে পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের অভিযোগ মিথ্যা, গালগল্প; কানাডার আদালতের এ রায়ের প্রতিক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, সততার শক্তি ছিল বলেই বিশ্বব্যাংকের ওই অভিযোগকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পেরেছিলেন তিনি। শেখ হাসিনা বলেন, এতকাল পরে আজকে তারা স্বীকার করেছে, কোর্ট বলে দিয়েছে; এখানে তো কোনো দুর্নীতি হয়ই নাই, বরং ওয়ার্ল্ড ব্যাংক যে অভিযোগ করেছে, তা ভুয়া, মিথ্যা ও আষাঢ়ে গল্প। এ ঘটনার মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মানুষের ‘মানমর্যাদা’ অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। 

তাহলে সঠিক কোনটা? বিশ্বব্যাংক, শেখ হাসিনার সরকার না ষড়যন্ত্রকারী দল। কানাডিয়ান আদালতের বিচারিক নিক্তি বলছে, শেখ হাসিনা এবং তার সরকারই পুরোদস্তুর সঠিক। আর বিশ্বব্যাংক, ষড়যন্ত্রকারী ও তাদের পক্ষাবলম্ব করে চাপাবাজির গালগল্পে জড়ানো কুশীলবরা পতিত হলো সততা ও নিষ্ঠার নির্মোহ পদতলে। তথাকথিত ওই জ্ঞানী-গুণী সুশীলবাদী সমাজ ভ্রান্ত আঁচলে মুখ লুকিয়ে বসে থাকলেও তাদের মিথ্যাচারের জবাব দিয়েছে কানাডার আদালত।

বিশ্বের উন্নয়নশীল ও দরিদ্র রাষ্ট্রের কল্যাণকামী আন্তর্জাতিক সংস্থা বিশ্বব্যাংক যদি কোনো ব্যক্তিস্বার্থ সংরক্ষণের চিন্তায় ব্যতিব্যস্ত হয়ে একটি রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয় তাহলে বিশ্বব্যাংকের বিশ্ব শব্দ প্রয়োগের যথার্থতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠাটাই স্বাভাবিক। পদ্মা সেতু প্রকল্পবিষয়ক অঘটনের মাধ্যমে বিশ্বব্যাংক নিশ্চয়ই শিক্ষা পেয়ে গেছে যে, এই বাংলাদেশ শুধু পলি মাটির নরম স্তরে আবৃত্ত বঙ্গীয় ভূমিই নয়, এই বাংলাদেশ ত্রিশ লাখ শহীদের রক্তে রঞ্জিত ও দুই লাখ মা-বোনের আত্মত্যাগের বিরল বিনিময়তায় অর্জিত বঙ্গবন্ধুর হার না মানা বাংলাদেশ, এই বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বে দুর্বার গতিসম্পন্ন দুরন্ত বাংলাদেশ। এই বাঙালি ও বাংলাদেশের তেজোদ্দীপ্ত তরঙ্গের তপ্ত ঝাঁজ কতটুকু যন্ত্রণাময় তা একাত্তরেই টের পেয়েছে বিশ্বব্যাংকসহ ক্ষমতাধর রাষ্ট্রের রথী-মহারথীজন।

বিশ্বব্যাংকের বিশ্ব শব্দটি পদ্মার ঢেউয়ে বারবার তলিয়ে গিয়ে বিশ্ববিহীন ব্যঙ্গ ব্যাংকে পরিণত হচ্ছে আজকের এই দৃশ্যমান পদ্মাসেতুর পদতলে।

জয় বাংলা
জয় বঙ্গবন্ধু

তথ্যসুত্রঃ

> বিবিসি বাংলা
> বাংলা ট্রিবিউন
> আমাদের সময়
> অন্যান্য সংবাদ মাধ্যম
> বিশ্বজিত রায় এর কলাম